জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলাই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অন্যতম অর্থ যোগানদাতা শেখ বাদলকে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতার অপকর্মের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে রাখতে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাজীপুরের নিকট আবেদন জানানো হলে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এর আগে “নাগরিক টেলিভিশনের অনলাইন ভার্সনে “ফ্যাসিস্টের দোসর শেখ বাদলের বিরুদ্ধে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ” শিরোনাম নামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদলের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার টেক্স ফাঁকির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতারকৃত আসামী শেখ বাদলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন জানান টঙ্গী থানা পুলিশ।
সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানার সাধারণ ডায়েরী নং-১২০৯, তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ এর ভিত্তিতে শেখ বাদল আহমেদ (৫৫)কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি খুলনা জেলার খালিশপুর থানার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় বসবাস করছিলেন।
জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, শেখ বাদল আহম্মেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই বাদল বিভিন্ন সময়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে জুলাই আন্দোলন দমাতে অর্থসহায়তা প্রদানসহ ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছেন।
এছাড়াও, বাদলের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ১২/১৩ ধারা, দ্য স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ২৫(১)/২৫বি(বি) ধারা এবং পেনাল কোডের ১৪৭/১৪৮/৩০২/১০৯/১১৪ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮ এর আওতায় বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে ও জানা যায়।
সুত্রে জানা যায়, আটক বাদলকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি পুলিশকে অসংলগ্ন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেন। পুলিশ পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে সন্দেহজনক কার্যকলাপের প্রেক্ষিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ আরো জানায় তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর সত্যতা যাচাই ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পড়ুন : ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’ রাব্বি গ্রেপ্তার


