আসন্ন কিশোরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানা সমীকরণ আর চায়ের টেবিলের আলোচনায় এখন একটি নাম বারবার উঠে আসছে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী মোহাম্মদ ইসরাইল মিঞা। তৃণমূলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের ভাষ্যমতে, জনসমর্থনে বর্তমানে অন্যদের চেয়ে বেশ এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীর স্বপ্ন
হাজী মোহাম্মদ ইসরাইল মিঞা দীর্ঘ দিন ধরে কিশোরগঞ্জের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে আছেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনি আধুনিক ও পরিকল্পিত পৌরসভা গড়ার রূপকল্প নিয়ে মাঠে নেমেছেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, কিশোরগঞ্জ একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শহর হওয়া সত্ত্বেও অবকাঠামোগত এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধার দিক থেকে এখনো অনেক পিছিয়ে। ইসরাইল মিঞা বিজয়ী হলে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
নির্বাচনী আলোচনায় হাজী ইসরাইল মিঞা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবেন নিরাপদ শহর গড়ার ওপর। তিনি বলেন পৌরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে এবং কিশোরগঞ্জ হবে একটি আদর্শ মডেল শহর।
সামান্য বৃষ্টি হলেই কিশোরগঞ্জ শহর পানির নিচে তলিয়ে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। এছাড়া শহরের তীব্র যানজট এখন বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে। বিগত মেয়র ও আওয়ামী লীগ সরকার এসব জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরের রাস্তাঘাট এখন চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে, যার মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর তাঁর শক্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুদৃঢ় জনপ্রিয়তা রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে হাজী ইসরাইল মিঞা পৌর সভার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
সদর উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দীর্ঘ দিন নেতৃত্বের প্রমাণ দিয়েছেন।
বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অনুদান এবং করোনাকালীন মানবিক কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভাকে একটি স্মার্ট এবং টেকসই শহরে রূপান্তরের পরিষ্কার রোডম্যাপ।
নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে হাজী মোহাম্মদ ইসরাইল মিয়ার পক্ষে গণজোয়ার ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে ভোটের লড়াইয়ে এই জনপ্রিয় নেতা কতটুকু সফল হন।
পড়ুন- সংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার
দেখুন- ইরানের নেতৃত্বেই হরমুজ প্রণালীতে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ?


