বিজ্ঞাপন

এ কেমন শত্রুতা: বিষে একরাতে শেষ ৩০ লাখ টাকার মাছ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ এলাকায় একটি পুকুরে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগের ঘটনায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মৎস্যচাষীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিলাসদ্বীপ এলাকার কালিচরণ দিঘীতে এসএমএস নয়ন, জাহেদুল ইসলাম জুয়েলসহ কয়েকজন মিলে যৌথভাবে মাছ চাষ করে আসছিলেন। সোমবার রাতে দিঘীর পানিতে অস্বাভাবিকভাবে মরা মাছ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে তারা পুকুরে বিষ প্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত হন।

বিষক্রিয়ার ফলে দিঘীর কাতলা, রুই, মৃগেল ও তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ একযোগে মারা যায় এবং পানিতে ভেসে ওঠে। এতে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট মৎস্যচাষীরা।

জানা গেছে, মৎস্যচাষীরা হাবিলাসদ্বীপ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাঁচ বছরের জন্য দিঘীটি ইজারা নিয়ে চাষাবাদ করছিলেন। প্রায় ১০ কানি আয়তনের এ দিঘীতে ২৫০ থেকে ৩০০ মণ মাছ ছিল বলে দাবি তাদের। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। এর আগে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী দিঘীর মাছ ১৮ লাখ টাকায় কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বলেও জানান তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষী জাহেদুল ইসলাম জুয়েল বলেন, “পুকুরে বিষ দেওয়ার কারণে আমার প্রায় সব মাছ মারা গেছে। আমি সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে বলেন, “হঠাৎ করে পুকুরে মাছ মারা যাওয়া অস্বাভাবিক। প্রাথমিকভাবে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চুয়াডাঙ্গায় ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন