বিজ্ঞাপন

গ্রাম্য দ্বন্দ্বে উত্তাপ, ভৈরবে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে টেঁটা তৈরির কারবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় গ্রাম্য বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে দেশীয় অস্ত্র টেঁটা তৈরির কারবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের শিমুলকান্দি বাজারের কয়েকটি কামারের দোকানে প্রকাশ্যেই তৈরি হচ্ছে এসব অবৈধ অস্ত্র।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে থাকা পাঁচটি কামারের দোকানের মধ্যে একটি দোকানে নিয়মিত টেঁটা তৈরির কাজ হয়। অভিযুক্ত দোকানটি পরিচালনা করেন শিমুলকান্দি গ্রামের পীর মোহাম্মদ বাড়ির মৃত মুর্শিদ মিয়ার ছেলে কাজল মিয়া।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কাজল মিয়া বলেন, “আমি অনেক আগেই এসব তৈরি বন্ধ করে দিয়েছি।” যদিও বৃহস্পতিবার (৭ মে) সরেজমিনে গিয়ে তার দোকানে টেঁটা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি দেখা গেছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, বিভিন্ন গ্রামে ছোটখাটো বিরোধ ও সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে এসব টেঁটার চাহিদা বাড়ছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ অস্ত্র তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা ফয়সল মিয়া বলেন, “প্রায়ই বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে শিমুলকান্দি বাজার থেকে টেঁটা নিতে দেখা যায়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।”

অভিযুক্ত দোকানের পাশের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “তাকে বহুবার এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছি। কিন্তু সে কারও কথা শোনে না।”

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, “কয়েকটি দোকান ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

পড়ুন:আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে চুল কেটে নির্যাতন সেই স্বামী গ্রেপ্তার

দেখুন:বরগুনায় চিত্র সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন |

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন