বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) একাদশতম আসর আয়োজন করতে গিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১৪-১৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। বৃহস্পতিবার (৭ মে) মিরপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিপিএলের গত কয়েক আসরের নানা অনিয়ম নিয়ে খোলামেলা সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, এখন থেকে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধের কোনো ধরনের দায়ভার বিসিবি বহন করবে না। ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ক্রিকেটারদের মধ্যকার আর্থিক চুক্তি ও লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে। বিসিবি কেবল তাদের আইনগত সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, এখন থেকে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধের কোনো ধরনের দায়ভার বিসিবি বহন করবে না। ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ক্রিকেটারদের মধ্যকার আর্থিক চুক্তি ও লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে। বিসিবি কেবল তাদের আইনগত সহায়তা করবে।
তামিম ইকবাল আরও বলেন, একাদশতম আসরে কোনও ধরনের পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছাড়াই নোয়াখালী ও সিলেটের মতো দলও লিগে অংশ নিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, একটি স্বনামধন্য দল ছাড়া কেউই ব্যাংক গ্যারান্টির নিয়ম মানেনি।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আরও বলেন, এই ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে পুরো বিপিএল কাঠামোতেই আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ভুল হলে তার দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে এবং জবাবদিহির বাইরে থাকার সুযোগ নেই।
তামিম ইকবাল আরও বলেন, ভবিষ্যতে মানসম্পন্ন ও আর্থিকভাবে সক্ষম ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাওয়া গেলে বিপিএল আয়োজন নিয়েই পুনর্বিবেচনা করতে হবে। তার মতে, একটি পেশাদার লিগ পরিচালনার জন্য যেসব আর্থিক নিশ্চয়তা ও কাঠামো প্রয়োজন, তা নিশ্চিত না হলে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়া যৌক্তিক হবে না।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

