আগামীকাল শুরু হচ্ছে ঢাকা টেস্ট। শেষ সিরিজে পাকিস্তানের মাটিতে তাদের হোয়াইটওয়াশ করায় এবার বাংলাদেশের ওপর প্রত্যাশা বেড়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে চান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। বাংলাদেশের পেস অ্যাটাককে এগিয়ে রাখছেন তিনি। শুক্রবার (৮ মে) মিরপুর স্টেডিয়ামে সকাল ১০টায় শুরু হবে খেলা। এটি সরাসরি সম্প্রচার করবে নাগরিক টেলিভিশন।
অধিনায়ক একই, শুধু ট্রফিটা আলাদা। দুই বছর আগে রাওয়ালপিন্ডিতে শান মাসুদ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ফটোশুটে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার তারা মুখোমুখি মিরপুরে। আবারও কি হোয়াইটওয়াশ করবে টাইগাররা?
বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে এমন কোনো চিন্তা আমি করি না। পাঁচ দিন করে দুইটা টেস্ট—এই ১০ দিনে আমরা কীভাবে সেরা ক্রিকেট খেলতে পারি, তাদের চেয়ে কম্পিটিটিভ ক্রিকেট খেলতে পারি, সেটাই আমার বেশি চিন্তা।”
দেড় বছর পর টেস্ট খেলার অপেক্ষায় আছেন তাসকিন আহমেদ। নাহিদ রানার হাতে এখনও ব্যান্ডেজ রয়েছে। এছাড়া আগের রিদমে পুরোপুরি ফিরতে পারেননি এবাদত হোসেন। তবুও নিজেদের পেস আক্রমণকে এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
তিনি আরও বলেন, “দুই দলেরই ভালো পেস আক্রমণ আছে। পাকিস্তান তো সব সময়ই তাদের পেস বোলিংয়ের জন্য বিখ্যাত। ওরা যেভাবে বোলিং করছে, আমাদের পেস বোলিং অ্যাটাক হয়তো গত কয়েক বছর ধরে একটু এগিয়েই আছে।”
সফরকারীদের হয়ে বাবর আজম দারুণ ছন্দে আছেন। অফ-স্পিনার সাজিদ খান হতে পারেন প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ংকর। পাশাপাশি শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাসরা অভিজ্ঞ পেসার হিসেবে আছেন। ফলে প্রতিশোধের মিশনে আরও আত্মবিশ্বাসী পাকিস্তান।
পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ বলেন, “আমার দল প্রতিশোধ শব্দের সঙ্গে পরিচিত না। তারা ভালো ক্রিকেট খেলেছিল। আমরা এবার ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। যখন আমরা উইনিং পজিশনে থাকবো, সেটা যেন ঠিকভাবে শেষ করতে পারি।”
বাংলাদেশ স্কোয়াডে আছেন দুজন নতুন মুখ। অন্তত একজনের অভিষেক হলে সম্ভাবনায় এগিয়ে আছেন তানজিদ হাসান তামিম। তিনি যেমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন, একাদশে সুযোগ পেলে তার কাছ থেকে তেমনটাই চান নাজমুল হোসেন শান্ত।
তিনি বলেন, “তামিমের কাছ থেকে আলাদা কিছুই আমি চাই না। সে যেভাবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে, ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই সে সেভাবেই খেলুক। সে যদি ওইভাবে খেলতে পারে, তাহলে দল স্বাভাবিকভাবেই ভালো অবস্থায় থাকবে।”
তানজিদ খেললে ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী হতে পারেন সাদমান ইসলাম। উইকেটে ঘাস থাকায় তিন পেসার খেলানোর সুযোগ বেশি। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে স্পিন বিভাগ সামলাতে পারেন তাইজুল ইসলাম।
ঢাকা টেস্টে আবহাওয়াও বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে। পাঁচ দিনের মধ্যে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

