বিজ্ঞাপন

৯ম টেস্ট সেঞ্চুরি করে শান্তর বিদায়

ঢাকা টেস্টের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে সেই চাপ সামলে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে গড়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ জুটি, যা ম্যাচে বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৮ মে) মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই পাকিস্তানি পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ঘণ্টাতেই ফিরে যান দুই ওপেনার। দলীয় ১৮ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটকিপার রিজওয়ানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। কিছুক্ষণ পরই হাসান আলীর বলে আউট হন সাদমান ইসলাম। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

চাপের সেই পরিস্থিতিতে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন অধিনায়ক শান্ত ও মুমিনুল হক। তৃতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে প্রথমে আসে ধীরে ধীরে রান, এরপর সেটি বড় জুটিতে রূপ নেয়। শুরুতে কিছুটা সময় নিয়ে খেললেও পরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে যান শান্ত। অন্যদিকে স্বভাবসুলভ ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেন মুমিনুল।

তৃতীয় উইকেটে তাদের জুটি দ্রুতই ৫০ রানে পৌঁছায়, যা আসে মাত্র ৭০ বলে। লাঞ্চের পর পাকিস্তানি বোলাররা লাইন-লেন্থে নিয়ন্ত্রণ আনলেও উইকেট না হারিয়ে চাপ সামাল দেন দুই ব্যাটার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জুটি আরও বড় হতে থাকে। ৩৫তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে চার মেরে জুটিকে ১০০ রানে নিয়ে যান শান্ত।

এরপর দুই ব্যাটারের ব্যাটে আসে আরও স্থিতি। তৃতীয় উইকেটে ১৩৩ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে নতুন রেকর্ডও গড়ে তারা। ১০২ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন মুমিনুল হক। অন্যদিকে ৭১ বলে হাফ সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন শান্ত।

লাঞ্চ বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন শান্ত। দ্রুত রান তুলে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি মাত্র ১২৯ বলে। তবে সেঞ্চুরির পরের ওভারেই আব্বাসের বলে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে ফিরে যান তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছক্কা। শান্তর ইনিংস শেষ হয় ১০১ রানে।

অধিনায়ক ফিরে গেলেও অন্য প্রান্তে দৃঢ় ছিলেন মুমিনুল। তিনি হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলের হাল ধরে রাখেন। শান্ত-মুমিনুলের জুটি ভাঙার সময় বাংলাদেশ তখন ২০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে।

এরপর ক্রিজে আসেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। চা বিরতির আগে আর কোনও উইকেট না হারিয়ে ২০১ রান নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

পড়ুন- ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন, মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি

দেখুন- ইরান-তুরস্কের দুই মনস্টার মি/সা/ই/ল |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন