বিজ্ঞাপন

নীলফামারীতে ১০০০ শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ শুরু

উত্তরবঙ্গের চিকিৎসা সেবার মান আমূল বদলে দিতে নীলফামারীতে নির্মিত হতে যাচ্ছে এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’। ২ হাজার ২৯২ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে শনিবার (৯ মে) নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল এলাকায় প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু করেছে একটি উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধি দল।

বিজ্ঞাপন


শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রতিনিধি দলের নেতা ডং লি-এর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি কারিগরি দল দারোয়ানীতে পৌঁছান। তারা প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ২৫ একর জায়গার কারিগরি ও প্রাথমিক সমীক্ষা পরিচালনা করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন এই বিশাল প্রকল্পে চীন সরকার ২ হাজার ২১৯ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করছে।


পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফাতেমা তুজ জোহরা সাংবাদিকদের জানান, এখানে ২৫ একর জমির ওপর একটি আধুনিক ১০ তলা হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ডরমেটরি, আবাসিক ভবন, ডিরেক্টরস বাংলোসহ প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো এবং অত্যাধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। ১০০০ শয্যার এই হাসপাতালের মধ্যে ৫০০টি সাধারণ বেড এবং বাকি ৫০০টি সম্পূর্ণ বিশেষায়িত সেবার জন্য বরাদ্দ থাকবে।


নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানান,এই হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নেফ্রোলজি,কার্ডিওলজি,অনকোলজি ও নিউরোলজির মতো জটিল ও বিশেষায়িত বিভাগে উন্নত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, আধুনিক জরুরি বিভাগ, আইসিইউ (ICU), সিসিইউ (CCU) ও এইচডিইউ (HDU) সুবিধার পাশাপাশি উন্নত ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রতিনিধি দলের সফরকালে আরও উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইদুল ইসলাম এবং সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই হাসপাতালটি নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীমুখী হতে হবে না; যা এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক চিত্র বদলে দেবে।

পড়ুন- কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন