সিলেটে ৪ বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মো. জাকির হোসেন (৩০) পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, সোমবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জালালাবাদ থানার সোনাতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জাকির সোনাতলা পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত তোতা মিয়া ও রুকিয়া বেগমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ৬ মে সকাল ১১টার দিকে জাকির প্রতিবেশী ভাতিজি ফাহিমাকে ২০ টাকা দিয়ে দোকান থেকে সিগারেট আনতে পাঠান। পরে শিশুটি ফিরে এলে ঘরের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে গেলে গলা টিপে হত্যা করা হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন তিনি।
ঘটনা গোপন রাখতে প্রথমে মরদেহ একটি শালে পেঁচিয়ে কালো রঙের সুটকেসে ভরে ঘরের ক্যাবিনেটের ওপর লুকিয়ে রাখা হয়। পরে মরদেহ খাটের নিচে রাখা হয়। দুইদিন পর ৮ মে বিকেলে মরদেহ একটি ডোবায় ডুবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও ভেসে উঠলে পাশের বাঁশঝাড় ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে রাখা হয়।
গ্রেপ্তারের পর জাকিরকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি খাল থেকে মরদেহ গুমে ব্যবহৃত চাদর, তার ঘর থেকে কালো সুটকেস এবং খাটের নিচ থেকে রক্তমাখা বালিশ উদ্ধার করেছে।
উল্লেখ্য, নিখোঁজের দুইদিন পর গত ৮ মে বিকেলে বাড়ির পাশের পুকুরপাড় থেকে ফাহিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জাকির হোসেনকে আসামি করে জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পড়ুন- মাদক কারবারে জড়ালে পুলিশ সদস্যদের ছাড় দেওয়া হবে না: আইজিপি


