পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো.শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরিষদের রাজস্ব আয় ও উন্নয়নের তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে।তথ্য না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। স্থানীয় সাংবাদকর্মীরা বলেন,সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের করের টাকায় বেতন পান।তথ্য গোপন করার অধিকার তাদের নেই।সাংবাদিকরা যখন তথ্য চায়, তখন তাদের সহযোগিতা করার কথা।কিন্তু এখানে ঘটছে উল্টো চিত্র।
অভিযোগ রয়েছে,সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের যোগসাজোশে ভুয়া বিল ভাউচার করে রাজস্ব আয়ের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করার।
জানা গেছে,নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় মো. সম্রাট হোসাইন নামের এক সংবাদকর্মী তথ্য অধিকার আইনে নির্দিষ্ট ফরমে ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য চেয়ে আবেদন করেন।তথ্য চাওয়া হয় পরিষদের গত তিন বছরের রাজস্ব আয় এবং কি কাজে ব্যয় করা হয়েছে তার বিবরণ।তথ্য না দেওয়ায় আপিল আবেদন করার কথাও জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো.শরিফুল ইসলামকে মুঠোফোনে বার বার ফোন দিয়ে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
তবে প্যানেল চেয়ারম্যান মো.শাহজাহান সিরাজ বলেন, তথ্য দিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।


