অনুমতি ছাড়া আকাশসীমায় প্রবেশ করায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা বিমানকে বাধা দিয়েছে অস্ট্রিয়া। এ ঘটনায় ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
অস্ট্রিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাইকেল বাউয়ার বলেন, গত রোববার ও সোমবার (১০ ও ১১ মে) দুই দফায় পিসি-১২ টার্বোপ্রপ বিমান দেশটির আপার অস্ট্রিয়া অঞ্চলের টোটেস গেবির্গে পর্বতমালার ওপর দিয়ে উড়ে যায়। পরে অস্ট্রিয়ার ইউরোফাইটার যুদ্ধবিমান সেগুলোকে বাধা দিলে বিমান দুটি জার্মানির দিকে ফিরে যায়।
সৃষ্ট উত্তেজনা ‘কূটনৈতিক উপায়ে’ সমাধান করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ ঘটনায় অস্ট্রিয়ার প্রতিক্রিয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা ও বিদ্রূপ দেখা যায়। অনেকেই মন্তব্য করেন, ‘অস্ট্রিয়ার আকাশসীমাকে কেউ গুরুত্ব দেয় না।’
সমালোচনার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বাউয়ার লেখেন, ‘তাহলে কি বিমানটি গুলি করে ভূপাতিত করা উচিত ছিল আমাদের? আপনারা কি সেটাই চান?’
আরেকটি পোস্টের জবাবে তিনি বলেন, ‘মহাসড়কে কেউ অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালালে কি পুলিশ চালককে গুলি করে, নাকি জরিমানা করে?’
গত মাসে ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উড়োজাহাজকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায় অস্ট্রিয়া। দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ অবস্থানের কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানায় ভিয়েনা।
আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ট্রিয়ার ভাইস চ্যান্সেলর আন্দ্রেয়া বাবলার বলেছিলেন, ‘আমরা ট্রাম্পের বিশৃঙ্খল নীতির অংশ নই এবং এ ক্ষেত্রে এক ইঞ্চিও ছাড় দেয়া উচিত নয়।’
তথ্যসূত্র: আরটি
পড়ুন : যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যারা


