পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীর জাহাজ চলাচলের পথ খুলতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে সামরিক অভিযানে নজরদারি বিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
আজ বুধবার (১৩ মে) অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস ৪০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে এই কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া এই মিশনে একটি ওয়েজটেইল ই-৭-এ নজরদারি বিমান দেবে। বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ইরানের ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য ইতোমধ্যেই অঞ্চলটিতে মোতায়েন রয়েছে।’ ই-৭এ ওয়েজটেইলকে বিশ্বের অন্যতম উন্নত আকাশভিত্তিক নজরদারি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মার্লেস বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে, অস্ট্রেলিয়া একটি স্বাধীন এবং সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক বহুজাতিক সামরিক মিশনকে সমর্থন করতে প্রস্তুত। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে পরিচালিত এই মিশনটি হবে সম্পূর্ণ ‘স্বাধীন ও কঠোরভাবে রক্ষণাত্মক’।
তিনি আরও বলেন, ‘এই বহুজাতিক সামরিক মিশনের উদ্দেশ্য হলো, কূটনৈতিক আলোচনা ও উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টাকে সহায়তা করা এবং একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি বাস্তব অঙ্গীকার হিসেবে কাজ করা।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালায়। জবাবে তেহরান ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়।
প্রায় পাঁচ সপ্তাহ সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

