বিজ্ঞাপন

মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে স্বাস্থ্যঝুঁকি কতটা, প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ

মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি আছে, তা নির্ণয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে গবেষণা করে প্রতিবেদন দিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেন।

দেশের মুঠোফোন কোম্পানির টাওয়ার থেকে নিঃসৃত বিকিরণের মাত্রা নিয়ে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে দুই আইনজীবী ২০১২ সালে হাইকোর্টে রিট করে। চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ঘরবাড়ির ছাদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, উপাসনালয়, জেলখানা ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় থাকা মুঠোফোন কোম্পানির টাওয়ার থেকে নিঃসৃত বিকিরণের ওপর সমীক্ষা করতে বলা হয়। জনসমাগম স্থলে অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আদালতপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতে এ ধরনের টাওয়ার স্থাপন করা না হয়, তা গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়। সমীক্ষা চালিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) আদালতে প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়। রায়ে বিষয়টি চলমান তদারকিতে থাকবে বলা হয়।

আগের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে বিটিআরসি সমীক্ষা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। এতে আপত্তি জানিয়ে বিকিরণের মাত্রা ১০ ভাগের ১ ভাগ করার বিষয়ে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের মতামত শোনার আবেদন জানান। ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে বিশেষজ্ঞ মতামত শুনবেন বলে আদেশ দেন। এ অনুসারে বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান আদালতে এসে বক্তব্য দেন। ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল একটি লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেন তিনি। প্রতিবেদনে তিনি মোবাইল টাওয়ার থেকে রেডিয়েশনের (বিকিরণ) মাত্রা কমানোর সুপারিশ করেন, একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে গবেষণার প্রস্তাব দেন। এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে আজ আদেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজুর নাহিদ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে লবণ দেবে সরকার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন