গত একমাস ধরে সবজির দাম চড়া থাকার পর এবার বেড়েছে মুরগি ও ডিমের দামও। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। দেশি মুরগি কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে।
শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, গত মাসেও সোনালি মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। একইভাবে দেশি মুরগির দাম সাড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি, যা আগে ১৭৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো, এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।
এদিকে গত এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে অন্তত ১০ টাকা। একইসঙ্গে বেড়েছে আদার দামও। বর্তমানে আদা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়, যা আগের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি।
বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। তবে বাজারে দেশি রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এ পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়লেও তা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। তবে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা দাম বাড়াচ্ছেন। কারণ কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করা পেঁয়াজ এখন বড় ব্যবসায়ীদের গুদামে মজুত রয়েছে।
অন্যদিকে বাজারে এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে কম দামের সবজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে। মানভেদে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া ঢ্যাঁড়স, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঝিঙে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। করলা, বরবটি ও কাঁকরোলের দাম আরও বেশি, যা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারের এমন পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাড়তি চাপে পড়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের আশঙ্কা, বাজার তদারকি জোরদার না হলে ঈদের আগে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনতে সম্মত চীন: ট্রাম্প
আর/


