পঞ্চমবারের মতো সুন্দরবনে অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড পরিচালনা করেছে কোস্টগার্ড। এসময় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদহ তিন বনদস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
শুক্রবার (১৫ মে) বেলা ১১টায় প্রেসব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জাহাজ বিসিজিএস তৌহিদ‘র, নির্বাহী কর্মকর্তা লে. ইকরা মোহাম্মদ নাসিফ।
আটক বনদস্যুরা হলেন- মো. রমজান শরীফ (১৯) ও মো. মেহেদী হাসান (২৫)। তাদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরলগঞ্জ উপজেলায়। এছাড়া মো. এনায়েত (২৫) ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার বাসিন্দা। তারা সকলেই সুন্দরবনে করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য।
অভিযানে ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় পিস্তল, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগান গোলা, ৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪টি ওয়াকিটকি চার্জার ও ২টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খালী খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। বুধবার (১৩ মে) থেকে অভিযান চালু করা হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এ অভিযান চলে। ২ দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে করিম শরীফ বাহিনীর ৩ জন সক্রিয় সদস্যকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়। এই ডাকাতেরাই জেলেদের অপহরণ করে থাকে। গেল বুধবার বন বিভাগ জেলেদের উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, ডাকাতদের আটক করতে পারেনি।
জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আটক ডাকাতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে ডাকাত ও তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযান সব সময় থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

