পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ভেজাল মসলার রমরমা ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গোপনে ভেজাল মসলা তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছে।
জানা যায়, রানী বাজার শাহী মসজিদ রোড, ভৈরব বাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে, গোপালবাড়ি রোডের রশিদ মিয়ার গলি, নদীর পাড়সহ বিভিন্ন অলিগলিতে রাতের বেলায় চলছে ভেজাল মসলা ভাঙা ও প্রস্তুতের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থানে ধানের কুড়া, কাঠের গুঁড়া এবং কৃত্রিম রং মিশিয়ে মরিচ, হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়া তৈরি করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাহী মসজিদ রোডের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “প্রতি রাতেই এখানে ধানের কুড়া, কাঠের গুঁড়া ও রং মিশিয়ে মসলা তৈরি করা হয়। যার মিল রয়েছে সে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেয়। কিন্তু আমরা জানি সে প্রকৃত সাংবাদিক নয়। প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।”
ভৈরব বাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে থাকা এক ব্যবসায়ী বলেন, সম্রাটে এখানে “দিন-রাত তালা বন্ধ করে ভেজাল মসলা ভাঙার কাজ চলায়। বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই ভিতরে কী হচ্ছে।”
স্থানীয় ইয়াছিন অভিযোগ করে বলেন, “রাহাদ নিজেকে ক্রাইম পেট্রোলের সাংবাদিক দাবি করে। তার কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। বাড়ির প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় দাপট দেখায় এবং ভেজাল মসলা ভাঙার কাজের সঙ্গে জড়িত।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এসব কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।
সচেতন মহল ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল মসলা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
পড়ুন: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মার্কিন প্রস্তাব, চীনের তীব্র সমালোচনা
আর/


