চীন সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহরে থাকা কর্মকর্তারা চীনা কর্মকর্তাদের দেওয়া সব সামগ্রী ফেলে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এসব সামগ্রীর মধ্যে ছিল প্রতিনিধি দলের পরিচয়পত্র, বার্নার ফোন ও বিশেষ পিন। বিমানবন্দরে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সেগুলো সংগ্রহ করে একটি বিনে ফেলে দেওয়া হয়।
চীনা কর্মকর্তাদের দেওয়া কোনো কিছুই বিমানে নিতে দেওয়া হয়নি।
শুক্রবার বেইজিং ক্যাপিটাল বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন ট্রাম্প। বিদায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এসময় স্কুলশিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকা নেড়ে ট্রাম্পকে বিদায় জানান। বিমানে ওঠার আগে ট্রাম্প মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে ইশারা করেন।
তিন দিনের এই সফরে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই নেতা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার বিষয়ে একমত হন। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন ট্রাম্প।
তবে সফর শেষে বড় কোনো বাণিজ্যিক অগ্রগতি বা ইরান যুদ্ধ নিয়ে চীনের সুনির্দিষ্ট সহযোগিতার ঘোষণা আসেনি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তাইওয়ান ইস্যুতেও বৈঠকের আড়ালে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন শিজিনপিং।
এদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০ মে চীন সফরে যেতে পারেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যদিও বেইজিং ও মস্কো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের তারিখ নিশ্চিত করেনি।
সূত্র: দ্য ডেইলি এক্সপ্রেস
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

