বিজ্ঞাপন

দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি গড়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

কৃষি-আরএমজি তথা গার্মেন্টস শিল্প- শ্রমবাজার দেশের জাতীয় অর্থনীতির মূল ভিত্তি এবং তার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।

তিনি বলেন,আজকের দিন পর্যন্ত অর্থনীতির যে তিনটি স্তম্ভের উপর বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে কৃষি ক্ষেত্র, আরএমজি সেক্টর অর্থাৎ গার্মেন্টস সেক্টর এবং শ্রম রপ্তানি সেক্টর-এই তিনটিরই প্রবক্তা হচ্ছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।যতবারই দেশ ক্রান্তিকালে পড়েছে এই একটি পরিবার বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। সেটি হলো এই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবার।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউড়ি জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি- পিআরইউ’র উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেন, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবং সবার আগে বাংলাদেশকে ধারণ করতে এই ধরনের ফোরাম (পিআরইউ) বাংলাদেশের জন্য খুবই জরুরি। যদি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হয় তাহলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আমাদের মাতৃসম নেতৃত্ব যিনি বাংলাদেশের অধিকার সমুন্নত রাখতে গিয়ে নিজের প্রাণ দিয়েছেন, সেই মহান নেত্রী মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কোনো সময়ই অন্যায়ের সাথে,দেশবিরোধী শক্তির সাথে আপস করেননি। একইভাবে ওনার এবং আমাদের মহান এই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি মহোদয়ও কোনো অন্যায়ের সাথে আপস না করে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশীদের অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ভূমিকা রেখেছেন। ভূমিকা রেখে তার ক্রেডিট নেওয়ার জন্য বা তার বেনিফিশিয়ারি হওয়ার জন্য বিন্দুমাত্র এই লোভ-লালসা ওনারা করেননি। এটা করেননি বলেই দেশবিরোধী শত ষড়যন্ত্রের পরেও বাংলাদেশের মানুষ ওনার উপর আস্থা রেখে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে ওনার দলকে নির্বাচিত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধুমাত্র বাংলাদেশের আক্ষরিক অর্থে স্বাধীনতা এনে দেননি। উনি দিয়েছেন বাক-স্বাধীনতা ফেরত দিয়েছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফেরত দিয়েছেন, উনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ফেরত দিয়েছেন এবং একই সাথে উনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের স্বাধীনতা ফেরত দিয়েছেন, কুটনৈতিক স্বাধীনতাও এনে দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পিআরইউর মত আরও সংগঠন দেশে দরকার মন্তব্য করে মীর হেলাল বলেন, এখন সময় এসেছে ১৭ বছরের যে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করা হয়েছে, জেল হত্যা মামলায় ওনাকে আসামি দেখানো হয়েছে। জেল হত্যা মামলা হয়েছে ৪ নভেম্বর। অথচ ৩ নভেম্বর থেকে উনি ওনার ঘরে গৃহবন্দী। এই সব মিথ্যা কথা বলে বাংলাদেশীদেরকে বিভ্রান্ত করবে, আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মদেরকে বিভ্রান্ত করবে। এজন্যই বক্তব্যের শুরুতে বলেছি, আজকে যে অর্গানাইজেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, এদের মত আরো সংগঠন হতে হবে। যারা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সম্পর্কে আরো মানুষকে জানায়, আরো জানে এবং সত্য ইতিহাসটা তুলে ধরে।

পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউর আহ্বায়ক হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইমরান এমির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু, পিআরইউ উপদেষ্টা ও জাসাসের কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, মহানগর বিএনপির সদস্য মাহবুব রানা।

বক্তব্য রাখেন পিআরইউ’র যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের প্রাক্তন উপাদক্ষ জাকির হোসেন, সৈয়দ নেছার উদ্দিন বুলু, পিআরইউ সদস্য মোহাম্মদ আলী, নূর হোসেন মামুন, তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, মনজুর মোরশেদ রণি, তৌহিদুর রহমান, হাটহাজারী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলম শিমুল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ইসমাঈল বিন মনির, সরকারি কর্মাস কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী রায়হান,এমইএস কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মির্জা ফারুক প্রমুখ। এসময় মন্ত্রী অতিথিদের সাথে নিয়ে পিআরইউ সদস্য জহিরুল ইসলাম জহিরের ‘অনান্য রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য এস এম আবু ছালেহ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবু মুছা, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহসভাপতি শাহেদ আকবর, আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি নুরুল আলম, মহানগর জাসাসের সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ শিপন, এ্যাব চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক রাজিব উদ্দিন আকন্দ, চবি ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নিজাম উদ্দীন রাসেল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি-পিআরইউ সদস্য নূর উদ্দিন খান সাগর, জহিরুল ইসলাম জহির, শহিদুল সুমন, ইবেন মীর, মাজেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক নাছির উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা জাভেদ ওমর, চবি ছাত্রদল সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলন, শফিউল বাশর সামু, এমইএস কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক আজিজ, কমার্স কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রায়হান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম কাজল, আনিসুর রহমান আনাস,জামশেদ জিসান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদলের সাবেক সমন্বয়ক রিদোয়ান সিদ্দিকী, মুজিব উল্লাহ তুষার, বুড়িরচর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ইফতেখারুল আলম সায়েম, মনির হোসাইন আবির, জাহিদুল ইসলাম বাবুসহ অন্যান্যরা।

পড়ুন : নারী শিক্ষা ছাড়া উন্নত জাতি সম্ভব নয়: পটিয়ায় এমপি এনাম

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন