বিজ্ঞাপন

নওগাঁয় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে চাঁদাবাজ ট্যাগ খেলেন কলেজ শিক্ষক

নওগাঁয় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে চাঁদাবাজ ট্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন এক কলেজ শিক্ষক।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবাদে রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টার দিকে শহরের এক রেস্তোরায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক। তার নাম মেসবাহুউল হক। তিনি পোরশা উপজেলার নিতপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মেসবাহুউল হক বলেন, ২০০৯ সালে পোরশা উপজেলায় ইটভাটা তৈরির উদ্দেশ্য আশরাফুল আলম নামে এক ব্যক্তির কাছে থেকে ৮ বিঘা জমি লিজ নিতে চাইলে তিনি জমিটি বিক্রি করবেন মর্মে দাম নির্ধারণ করেন ২১ লাখ টাকা। এরপর মেসবাহুউল হকের কাছে থেকে কয়েক দফায় ১৭ লাখ টাকা নেন আশরাফুল। পরে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে চেয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন তিনি। এক পর্যায়ে জমিটি অন্যত্র বিক্রির চেষ্টা চলছে এমন তথ্য পেয়ে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের উদ্দ্যেশ্যে তাকে অন্যত্র ডেকে নেয়া হয়। পরে বৈঠক শুরু করলে হঠাৎ সেখানে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়।

মেসবাহুউল বলেন, পুলিশ সদস্যদের ৯৯৯-এ কল করে অপহরণের মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ দিয়ে সেখানে পাঠানো হয়েছিলো। পরে স্থানীয় থানায় ওসির উপস্থিতিতে সমাধানের চেষ্টা করা হলে পাওনা ১৭ লাখ টাকার মধ্যে তারা মাত্র সাড়ে ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করবে বলে জানায়। তা নিতে অস্বীকৃতি জানালে হঠাৎই গত ১৩ মে একটি সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের চাঁদাবাজ এবং অপহরণকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন আশরাফুল। যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। শিক্ষকতার পাশাপাশি ইটভাটা ব্যবসায় সম্পৃক্ত আমি। তাদের এই ট্যাগিংয়ে আমার সম্মাহানি হয়েছে। আশা করছি প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এবিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিবেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আশরাফুল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পোরশা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, একজনকে আটকে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ কাউকে আটক অবস্থায় পায়নি। দুই পক্ষের মধ্যে টাকা-পয়সা ও জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তাদের থানায় ডাকা হয়েছিল, তবে তারা নিজেরাই বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন। অপহরণের অভিযোগ সঠিক নয় বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলন পোরশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল জাভেদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- স্ত্রী-কন্যাসহ হামাসের সামরিক প্রধান নিহত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন