বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলনে মেয়ে হত্যা বিচার চাইলেন মা

ময়মনসিংহে মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মা ও বাবা। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে নিহত মেয়ের মা সালমা আক্তার প্রীতি দাবি করেন, গত ২৪ এপ্রিল ঢাকার উত্তরা এলাকার একটি ফ্ল্যাট বাড়িতে আমেনা আক্তার নওরীনকে হত্যা করে তার স্বামী লুৎফুল্লাহির কবির আশিক। হত্যার পর ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০২২ সালে নওরিনের সাথে কুষ্টিয়া নামাপাড়া এলাকার আশিকের সাথে বিয়ে হয় বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্যকলহ লেগেই থাকতো। পরবর্তীতে আশিক চাকরির সুবাদে ঢাকা উত্তরার ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে। তার সঙ্গে নওরিনও থাকতো। নওমান শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ভর্তি হয়। শুরুতে সবণিকু স্বাভাবিক থাকলেও কিছুদিন পর আশিকের অস্বাভাবিক আচরণে নওরিনের সন্দেহ হয়। পরে নওরিন জানতে পারে আশিক তার এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন। এতে তাদের সর্ম্পকের আরও অবনতি হয়। মাঝে মধ্যে আশিক নওরিনকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

মা সালমা আক্তার প্রীতি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় আশিক ফোন করে জানায় যে, নওরিন ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নওরিনের নিথর দেহ ঘরের বিছানায় শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পাই। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কিন্তু ঘটনাস্থলে আত্মহত্যার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ফ্যানে কোনো দাগ, রশি বা ঝুলন্ত অবস্থার চিহ্নও ছিল না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, পরিকল্পিতভাবে আমার নওরিনকে হত্যা করে এটিকে আত্মহত্যা বলে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

ঘটনার রাতে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ উপস্থিত অনেকেই প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্য নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেন।

এ ঘটনায় তুরাগ থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা হলে গত ২৪ এপ্রিল আশিককে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। তবে ১৯ দিনের মধ্যেই আশিক ক্ষমতার প্রভাবে জামিনে মুক্ত হয়ে আসে। এর পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই প্রশাসনের কাছে রহস্য জনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাসি দাবি করেন নাগরিনের মা সালমা আক্তার প্রীতি। এর পর থেকে আমাদের

এ বিষয়ে মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তুরাগ থানায় উপপরিদর্শক বলেন, মামলাটি তদন্ত চলছে। এখনো ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকির ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পড়ুন- ১৪তম সেঞ্চুরি মুশফিকের, দেশের হয়ে সর্বোচ্চ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন