বিজ্ঞাপন

উপসাগরীয় অঞ্চলের মানচিত্রে মার্কিন পতাকা ও বিস্ফোরণের ছবি পোস্ট ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় অচলাবস্থা কাটাতে কে আগে পিছু হটবে, তা দেখার জন্য ওয়াশিংটন ও তেহরান যখন একে অপরের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে চলেছে, ঠিক তখনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আক্রমণ শুরু করেছেন।

ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ইরানি নৌকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মহাকাশ যুদ্ধ ও ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাসংবলিত বেশ কয়েকটা ছবি দিয়েছেন।

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ট্রাম্প ২০টির বেশি ছবি শেয়ার করেছেন, যার বেশির ভাগই ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ আরও জোরদার করার হুমকির কথাই প্রকাশ করেছে। মার্কিন নেতার পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা যায়, ইরানের মানচিত্রের ওপর একটি আমেরিকান পতাকা জুড়ে দেওয়া হয়েছে এবং চারদিক থেকে তিরচিহ্নগুলো এই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের দিকে তাক করা রয়েছে।

অন্য এক ছবিতে দেখা যায়, একটি মার্কিন ড্রোন ইরানের দ্রুতগামী নৌকায় আঘাত করছে। এর সঙ্গে ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে, ‘বাই বাই, ফাস্ট বোটস’ বা বিদায়, দ্রুতগামী নৌকা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের একটি যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং পাশে তাঁর নিজের একটি ক্লিপ যুক্ত রয়েছে। পাঁচ সেকেন্ডের এই ক্লিপে ট্রাম্পকে একটি টেবিলে চাপড়াতে দেখা যায়, যেন তিনি কম্পিউটারে কিছু টাইপ করছেন এবং বলছেন, ‘বা বা বা বা…ফায়ার, বুম।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘স্পেস ফোর্স’ শিরোনামের নিচে মহাকাশে নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেছেন। সেটিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট পরিবেষ্টিত হয়ে কক্ষপথ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তদারকি করছেন।

অন্য একটি ছবিতে ট্রাম্পকে একটি মহাকাশযানের ‘কিল বাটন’ (ধ্বংস করার বোতাম) চাপতে দেখা যায়, যার ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা একাধিক স্ক্রিনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং একটি পারমাণবিক বিস্ফোরণের মতো দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইরানে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলা শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন