বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে ভুয়া বিএড সনদ দিয়ে অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো.মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে ভুয়া বিএড এর সনদ জাল জালিয়াতি করে প্রতিমাসে অতিরিক্ত ৫ হাজার ১৭০ টাকা অতিরিক্ত বিল উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে।এতে ১৩ বছরে প্রায় ৯ লাখ সরকারি টাকা তছরুপ করেছে এই শিক্ষক।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়,তেঁতুলিয়া উপজেলার রওশনপুর এলাকার ইয়াকুব আলী ও মমতাজ বেগমের ছেলে

মো.মামুনুর রশিদ শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক পদে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরে যোগদান করেন।এমপিওভুক্ত হন ২০১২ সালের ১ নভেম্বরে।শুরু থেকেই তিনি বিএড স্কেলে সংযুক্ত হন।অভিযোগ রয়েছে, বিএড এর জমাকৃত সনদটিতে নাম ঠিক থাকলেও পিতার নাম মো.ইউনুস আলী মায়ের নাম আফিলা বেগম।তিনি দিনাজপুরের বিরামপুর চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিরামপুর আমানুল্লাহ বিদ্যানিকেতনের সহকারি শিক্ষক।

এছাড়াও এই শিক্ষক ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইএফটিতে বেতনের আবেদন করলে, বিএড সনদ জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে পিতা-মাতার নাম ও স্থায়ী ঠিকানা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট সকল নথি সংযুক্ত করে পুনরায় আবেদন করতে বলেন শিক্ষা অধিদপ্তর।পরবর্তীতে আবেদন করলে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল বিএড সনদ ভুয়া বলে আবেদন বাতিল করে বিএড পাসের মুল প্রবেশপত্র,মুল প্রশংসাপত্র, ভর্তির রসিদ এবং মুল সার্টিফিকেট নিয়ে ডিডিকে দেখানোর কথা বলা হয়।

অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মামুনুর রশীদ বলেন, আমি দারুল ইহসান পঞ্চগড় ক্যাম্পাস থেকে ২০০৯ সালে বিএড সনদ অর্জন করেছি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদটা আমার নয়।

প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আমি আগামী ২৫ মে অবসরে যাব, মিথ্যা বলবো না, সহকারী শিক্ষক মামুনুর রশীদ প্রথমে দারুল এহসানের বিএড সনদ দিয়ে এমপিও ভুক্তির আবেদন করলে সেটা রিজেক্ট হয়,পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড সনদ দিয়ে এমপিও ভুক্তি হয়। তবে সেই সনদ সঠিক কিনা জানি না।

পড়ুন- ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন