বিজ্ঞাপন

পাবনায় ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ কুখ্যাত ‘ন্যাংড়া চোর মুন্না’ গ্রেপ্তার

​পাবনায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোরচক্রের মূলহোতা মুন্না ওরফে ‘ন্যাংড়া চোর মুন্না’কে গ্রেপ্তার করেছে পাবনা সদর থানা পুলিশ। এ সময় তার হেফাজত ও বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল।

​বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজানুর রহমান।

​প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর বিশেষ নির্দেশনা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাবনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

​পুলিশ আরও জানায়, গত ২০ মে পাবনা সদর থানার মুজাহিদ ক্লাব ও বাংলাবাজার এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। এরপরই তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোর মুন্নাকে শনাক্ত করা হয়। পরে মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার বাগুটিয়া আইনের পারুলিয়া চরসহ বিভিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে মুন্নাকে তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না পাবনার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরির সত্যতা স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনার আমিনপুর থানার কল্যাণপুর চর এবং মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার যমুনার চর, পাগলার চর, ঢালার চর, বাগুটিয়া চর ও পারুলিয়া চরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ৫টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

​উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি কালো-লাল রঙের ডিসকভার ১১০ সিসি, একটি কালো-লাল রঙের প্লাটিনা ১১০ সিসি, একটি বেগুনি রঙের পালসার ১৫০ সিসি, একটি লাল রঙের প্লাটিনা ১০০ সিসি এবং অপর একটি লাল রঙের ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল।

​অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সাথে এই চোরচক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

​পড়ুন : অনলাইন জুয়া খেলার অপরাধে দেশে প্রথম গ্রেপ্তার মেহেরপুরে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন