বিজ্ঞাপন

হবিগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে মাত্র ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক বিজয় মিয়া (২০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে শহরতলীর দুর্লভপুর থেকে থাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত বিজয় ওই গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্যাতনের শিকার শিশুটির পিতা একজন প্রবাসী। পরিবারের জীবিকার তাগিদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এদিকে শিশুটির মা একাই শিশু কন্যাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেন। প্রতিদিনের মতো গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটি বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় বিজয় তাকে কৌশলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

পরবর্তীতে শিশুটির আচরণ ও শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে গত বৃহস্পতিবার শিশুটিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসকরা শিশুটির চিকিৎসা দিচ্ছেন।

ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী পক্ষ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। এমনকি শিশুটির পরিবারকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগেরও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে জবানবন্দি নেয়। মুলত তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। শিশুটির মা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেছে। অভিযুক্ত বিজয়কে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নির্যাতিত শিশুর মা মমিনা চৌধুরী বলেন- আমার ছোট্র মেয়েটি নিজেই নির্যাতনের বর্ণণা করেছে। তাকে বিজয় অনেক কষ্ট দিয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের আরএমও ডাঃ ফাইকা রহমান বলেন – শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি আছে। শরিবার তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাজবাড়ীতে রামিসার খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন