মার্কিন ও ইহুদি স্থাপনায় হামলা চালানোর অভিযোগে আটক এক ইরাকি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে গুপ্তহত্যারও ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, ২০২০ সালে বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইভাঙ্কাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন ৩২ বছর বয়সী ইরাকি নাগরিক মোহাম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল-সাদি।
আল-সাদির কাছে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবনের একটি মানচিত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অনলাইনে একটি ছবিও শেয়ার করেছিলেন সাদি, যেখানে ইভাঙ্কা ও তার স্বামী জ্যারেড কুশনারের মালিকানাধীন একটি বাড়ি দেখানো হয়েছিল। পোস্টটিতে আরবি ভাষায় ইভাঙ্কাকে হুমকি দিয়ে দিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘তোমাদের প্রাসাদ বা সিক্রেট সার্ভিস কেউই তোমাদের রক্ষা করবে না, প্রতিশোধ নেয়া শুধু সময়ের ব্যাপার।’
ওয়াশিংটনে ইরাকি দূতাবাসের সাবেক উপ-সামরিক অ্যাটাশে ইনতিফাধ কানবার নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেছেন, সোলেইমানির মৃত্যুর পর আল-সাদি তার সঙ্গীদের বলেছিলেন, ‘ট্রাম্পকে শাস্তি দেওয়ার জন্য ইভাঙ্কাকে লক্ষ্যবস্তু করা উচিত’।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৫ মে তুরস্কে গ্রেফতার হন আল-সাদি এবং পরে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়। বর্তমানে তাকে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে।
মার্কিন বিচার বিভাগ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ১৮টি হামলা ও হামলার চেষ্টার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। এরমধ্যে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক মেলন ভবনে অগ্নিবোমা হামলা, কনাডার টরন্টোতে মার্কিন দূতাবাসের কাছে গুলিবর্ষণ এবং চলতি বছরের শুরুতে লন্ডনে দুই ইহুদিকে ছুরিকাঘাতসহ বেশ কয়েকটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

