যশোরে মসজিদে আজান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে আজ সন্ধা ৬টার দিকে সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের পুর্বপাড়ায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহতরা হলো ওই গ্রামের মৃত মোবারক বিশ্বাসের ছেলে গোলাম রসুল আলফার বিশ্বাসের ছেলে হান্নান বিশ্বাস।
এঘটনায় আহত গোলাম রসুল বাদী হয়ে ৪জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মসজিদের মোয়াজ্জেমের সঙ্গে আলফার বিশ্বাসের আজান দেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় একই এলাকার আতি মোড়ল সেখানে এসে আলফার বিশ্বাসের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার ফরিদপুর বাজারে শহর আলীর মুদি দোকানের সামনে গোলাম রসূল থাকাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে আসে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধলে দুজন আহত হয়।
আহতরা অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন প্রতিপক্ষের মহাসিন মোড়ল, সোহরাব মোড়ল, আতি মোড়ল ও আবিরসহ কয়েকজন তাকে মারধর করে। এ সময় সোহরাব মোড়ল ধারালো দা দিয়ে তার মাথায় কোপ দিতে গেলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে বাম হাতের কব্জিতে গুরুতর জখম হন। এসময় গোলাম রসূলের ভাই আলফার বিশ্বাস ও ভাতিজা হান্নান বিশ্বাস ঠেকাতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। হামলার সময় হান্নান বিশ্বাসের পকেটে থাকা ৫ হাজার ৭৫০ টাকা ছিনিয়ে নেই বলে অভিযোগ করে।
সংঘর্ষের ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অমৃত লাল দাস জানান ফরিদপুর গ্রামে মারামারির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন:ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট
দেখুন:ঘরে বসেই মাসে অর্ধ লক্ষ টাকা আয় করছেন সুমা!
ইমি/


