যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও বেড়ে গেছে। একইসঙ্গে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় এশিয়ার বেশিরভাগ শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধান শেয়ারসূচকগুলো নিম্নমুখী অবস্থায় লেনদেন শুরু করেছে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বাড়ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ ডলারের বেশি হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চললেও উভয় পক্ষের সংঘর্ষের খবরের দিকে নজর রাখছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে হরমুজ প্রণালি এখনও বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে ইরানের একটি সামরিক স্থাপনায় নতুন করে মার্কিন বিমান হামলার খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে যায়।
এদিন বাংলাদেশ সময় সকাল সোয়া ৬টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৯০ ডলার বা ২ দশমিক ০২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ১৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১ দশমিক ৭৩ ডলার বা ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়ায়।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

