ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের পরই নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। ঈদের তৃতীয় দিনেও চলছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। সকাল থেকেই শুরু হয় বর্জ্য অপসারণ কাজ। রাজধানীর বাইরের দৃশ্য একেবারেই আলাদা। পশু জবাইয়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিচ্ছন্নতায় তৎপর হয়ে ওঠে নগর কর্তৃপক্ষ। দুর্গন্ধ এড়াতে তাৎক্ষণিক ছিঁটানো হয় ব্লিচিং পাউডার।
ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। বর্জ্য অপসারণে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক বরখাস্তের নির্দেশ দেন তিনি।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (জোন-৫) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান (উপ-সচিব) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (জোন-১) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির (উপ-সচিব)।
অসন্তোষ প্রকাশের একদিনের মাথায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নড়েচড়ে বসেছে সিটি করপোরেশন ও রাজউক। শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকে ঢাকার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন এলাকা হাতিরঝিল লেক ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
এদিকে, ঈদের তৃতীয় দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে দেয়া হয় পশু কোরবানি। তবে তৎপর ছিল নগর কর্তৃপক্ষ। সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য অপসারণের কাজে নামেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।
তবে রাজধানীর বাইরের দৃশ্য একেবারেই আলাদা। নেই পশুর কোনো বর্জ্য বা অন্যকোনো আবর্জনা। ৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করে চমক দেখিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে সাড়ে তিন হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী একযোগে কাজ করেন।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

