বিজ্ঞাপন

মোটরসাইকেল চালানো ও চুল কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে কলেজছাত্রকে হত্যা

সিরাজগঞ্জে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানোকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জেরে কলেজছাত্র শাকিল (২৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলার মূল আসামি মো. রাকিব (২৫) কে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১ জুন) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের ছোনগাছা বাজার সংলগ্ন চামেলী মোড় এলাকায় মো. জহুরুল ইসলামের টং দোকানের সামনে পূর্ব শত্রুতার জেরে শাকিলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, কয়েকদিন আগে ছোনগাছা বাজার এলাকায় দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালানোকে কেন্দ্র করে রাকিবের সঙ্গে নিহত শাকিল ও তার বন্ধুদের কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। এছাড়া ঘটনার তিন থেকে চার দিন আগে একটি সেলুনে চুল কাটাকে কেন্দ্র করে অপর দুই আসামি শাকিল (২৪) ও সাব্বিরের (২৬) সঙ্গে ঝগড়ার সময় রাকিব ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আবারও উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এসব ঘটনার জের ধরেই ঈদের দিন হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর নিহতের ভাই মো. রহমত উল্লাহ বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়ের করা হয় ২৯ মে।

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ঈদের দিন হত্যাকান্ডটি ঘটে। এরপরই পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম কাজ করা শুরু করে। একপর্যায়ে আমরা তাকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি৷ সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথাটি স্বীকার করেছে৷ মূলত দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে পূর্ব শত্রুতা ছিল৷

সংবাদ সম্মেলনে সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেল) নাজরান রউফসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক–পুলিশ সংঘর্ষ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন