বিজ্ঞাপন

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ১০ থেকে ১২ জনকে ঠেলে পাঠালো বিএসএফ ও মধ্যরাতে সীমান্তের লাইট বন্ধ করে পুশইনের চেষ্টা

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বাংলাদেশি নাগরিকদের পুশইনের চেষ্টা বিজিবির কড়া অবস্থানের মুখে ব্যর্থ হয়েছে। সোমবার (০১ জুন) গভীর রাতে বেনাপোল সীমান্তের সাদিপুর মাঠ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া খুলে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালানো হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি।

বিজ্ঞাপন

যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোর ব্যাটালিয়নের রঘুনাথপুর বিওপির দায়িত্বাধীন সীমান্ত পিলার ১৯/৩-এস থেকে ১৯/৫-এস পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে সীমান্ত সড়কে তিনটি গাড়ি এসে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করেই ভারতীয় অংশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

বিজিবি সূত্র আরও জানায়, ভারতীয় বিএসএফ ওই সময় রাতের আঁধারে প্রায় ১১০ থেকে ১২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায়। তবে সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা সতর্ক ও কঠোর অবস্থানে থাকায় তাদের সে চেষ্টা সফল হয়নি। পরে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ১০ থেকে ১২ জনকে অবস্থান করিয়ে রাখে বলে জানা যায়। ধারণা করা হচ্ছিল সুযোগ পেলে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হতে পারে।

এদিকে বিজিবির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা জানায়, পুশইনের চেষ্টা করা ওই ১০ থেকে ১২ জনকে একই পথ দিয়ে ফেরত নিয়ে যাওয়া হবে। পরে সীমান্তে উভয় বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, গভীর রাতে ভারতীয় অংশের সীমান্তের আলো হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। পরে বিজিবির টহল জোরদার করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

পড়ুন- শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ কাল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন