চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মিজানুর রহমান কফিল (৩৭) নামে যুবদলের এক কর্মীকে স্থানীয়রা আটক করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
রোববার উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। মিজানুর রহমান কফিল একই এলাকার মৃত সোলায়মান মেম্বারের ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি মিজানুর রহমান কফিলকে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করতে দেখা যায়। ভিডিওতে একপর্যায়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এক নারীকে স্থান ত্যাগ করতেও দেখা যায়। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মিজানুর রহমান কফিলের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। রোববার দুপুরে ওই নারীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, উভয় পরিবারের সদস্য এবং স্বজনদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হয়। পরে একটি মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, “ঘটনাটি জানার পর আমরা সেখানে যাই। এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান কফিলের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পটিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ওয়াহিদুল আলম পিবলু বলেন, “মিজানুর রহমানের কোনো দলীয় পদ নেই, তবে তিনি যুবদলের কর্মী। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, “কোলাগাঁও ইউনিয়নে এ ধরনের কোনো ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”


