বিজ্ঞাপন

বাড়ছে যমুনার পানি, তলিয়ে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চল, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে নদীর অভ্যন্তরীণ নিচু চরাঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আতঙ্কে পড়েছে যমুনা নদীপাড়ের হাজার হাজার মানুষ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৬টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় নতুন করে আরও ৩২ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। একই সময়ে কাজীপুর মেঘাইঘাট পয়েন্টেও ৩৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ দিন ধরে যমুনা নদীতে একদিকে যেমন পানি বাড়ছে, অন্য দিকে আবার কিছু কিছু পয়েন্টে কমছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, তবে ১৪ মে থেকে যমুনা নদীতে ধারাবাহিকভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ১৬ মে ৫ সেন্টিমিটার, গত ১৭ মে ৫ সেন্টিমিটার, ১৮ মে ৬ সেন্টিমিটার, ১৯ মে ২৭ সেন্টিমিটার, ২০ মে ১০ সেন্টিমিটার, ২৩ মে ২১ সেন্টিমিটার, ২৪ মে ২৮ সেন্টিমিটার, ২৫ মে ২৩ সেন্টিমিটার, ২৬ মে ২৬ সেন্টিমিটার এবং আজ ২৭ মে আরও ১৬ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। ২৯ সেন্টিমিটার পানি কমেছে ১১ সেন্টিমিটার, ৩০ মে পানি কমেছে ২ সেন্টিমিটার, ৩১ মে পানি বেড়েছে ২০ সেন্টিমিটার। গত ২৪ ঘন্টায় পানি বেড়েছে ৩২ সেন্টিমিটার।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন নদী পরিস্থিতির বিবরণ দিয়ে বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষনে যমুনা নদীর পানি কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। তবে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ডপয়েন্ট ও কাজীপুরের মেঘাই ঘাট পয়েন্টে পানি বাড়তে শুরু করেছে। মূলত জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস হলো মূল বর্ষা মৌসুম। তাই এখন যমুনা নদীতে পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।

তিনি আরও জানান, পানি দ্রুত বাড়লেও তা এখনো বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় বিপদসীমার ২৯৩ সেন্টিমিটার এবং মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ৩৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার নিচু চরাঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে।

পড়ুন- ঈদে সরকারের গণমুখী উদ্যোগে জনআকাঙ্ক্ষার স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন