লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।
সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ বলছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ তাসনিম জানিয়েছে, ‘লেবাননে জায়নবাদী শাসনের অপরাধ অব্যাহত থাকার’ কারণে ইরান মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পরিচালিত ‘আলোচনা এবং খসড়া নথি আদান-প্রদান’ বন্ধ করবে।
এর আগে দিনের শুরুতে ইরানি কর্মকর্তারাও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন। তাদের মতে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধও যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় রয়েছে, কিন্তু সেই চুক্তি ‘সব ক্ষেত্রেই’ লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
এদিকে লেবাননের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার (১ জুন) জরুরি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের। লেবানন-ইসরায়েল সীমান্ত থেকে অনেক ভেতরে অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় দুর্গ ইসরায়েলি বাহিনী দখল করার পর এই বৈঠক আহ্বান করা হয়।
একই সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে হিজবুল্লাহর কথিত ‘সন্ত্রাসী সদরদপ্তর’ লক্ষ্য করে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে এবং যেকোনও শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

