বিজ্ঞাপন

কালিয়াকৈরে ছিনতাই হওয়া প্রাইভেটকার উদ্ধার, তিন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ছিনতাই হওয়া একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৩ জুন) ভোররাতে উপজেলার সফিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রতনপুর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. সামিন হোসেন (৩৪), রাখালিয়াচালা এলাকার শওকত মিস্ত্রীর ছেলে মো. তুহিন আলম (২৫) এবং পূর্ব মৌচাক রহমত টেক্সটাইলের ১ নম্বর গেইট এলাকার মৃত সিদ্দিকের পালকপুত্র কাজী সাব্বির হোসেন (২৬)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে গভীর রাতে রংপুর থেকে ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকার কালিয়াকৈরের সফিপুর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলযোগে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত গাড়িটি থামানোর সংকেত দেয়। গাড়ি থামানোর পর তারা চালক ও যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা, একটি মোবাইল ফোন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়।

একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা চালক ও যাত্রীদের জোরপূর্বক প্রাইভেটকারে তুলে উপজেলার রতনপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আরও একজন সহযোগী যোগ দিয়ে তাদের প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয় এবং ঢাকা মেট্রো-গ-১৭-৪৭৯৬ নম্বরের প্রাইভেটকারটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ বুধবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে সফিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ছিনতাই হওয়া প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়।

কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক, অপহরণ, ডাকাতির প্রস্তুতি ও অন্যান্য অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পড়ুন- বিদ্যুতের দাম: গ্রাহক ও পাইকারি পর্যায়ে কত বাড়ল?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন