নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী বুধবার রাত প্রায় ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তার মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়লে কারাগারের বাইরে অপেক্ষমাণ স্বজন, আইনজীবী ও মধ্যে স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন সংক্রান্ত আদালতের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বুধবার সন্ধ্যায় কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে। পরে আদালতের আদেশ যাচাই-বাছাইসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রাতের দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আইভীর আইনজীবীরা জানান, তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভের পর কারামুক্তির আর কোনো আইনি বাধা ছিল না। সর্বশেষ মামলাগুলোর জামিনের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ মে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলায় তিনি আদালতে জামিনের আবেদন করেন এবং পর্যায়ক্রমে জামিন লাভ করেন। প্রায় এক বছর কারাগারে থাকার পর অবশেষে তিনি মুক্তি পেলেন।
সেলিনা হায়াৎ আইভী বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘদিন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং নগর উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে আলোচিত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী হিসেবেও পরিচিত।
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোনো বক্তব্য দেননি। তবে তার পরিবারের সদস্যরা আদালতের রায়ের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।


