বিজ্ঞাপন

২০২৭ চাঁদে যাচ্ছে মানুষ , আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য চার নভোচারীর নাম ঘোষণা করেছে। ২০২৭ সালের শেষ দিকে মিশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও মহাকাশযান পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে এই অভিযানে।

দলটিতে যারা রয়েছেন, তারা হলেন- নাসার নভোচারী আন্দ্রে ডগলাস, ফ্রাঙ্ক রুবিও ও র‌্যান্ডি ব্রেসনিক। তাদের সঙ্গে থাকবেন ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ইতালীয় নভোচারী লুকা পারমিতানো।

নাসার বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর্টেমিস-৩ সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবে না। বরং পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান কীভাবে একটি চন্দ্র অবতরণযানের সঙ্গে সংযুক্ত বা ডকিং করতে পারে, তা পরীক্ষা করা হবে।

ভবিষ্যতে চাঁদে নিরাপদে অবতরণের ঝুঁকি কমানোই এ মিশনের প্রধান লক্ষ্য।

নাসা জানায়, পরীক্ষামূলক এই মিশনে স্পেসএক্সের স্টারশিপ এবং ব্লু অরিজিনের ব্লু মুন ল্যান্ডারের এক বা উভয়টির সঙ্গে ওরিয়নের ডকিং হতে পারে। তবে কোন যানটি সময়মতো প্রস্তুত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যান্ডার উন্নয়ন কার্যক্রমে নানা বিলম্ব ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।

নাসার প্রশাসক জানিয়েছেন, ওরিয়ন প্রথমে ব্লু মুনের সঙ্গে এবং পরে স্টারশিপের সঙ্গে ডকিং করতে পারে। ব্লু মুনের সঙ্গে প্রায় দুই দিন অবস্থান করে নভোচারীরা জীবনরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি পরীক্ষা করবেন। এরপর স্টারশিপের সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য সংযুক্ত হবে ওরিয়ন।

তবে এই মিশনে নভোচারীরা স্টারশিপের ভেতরে প্রবেশ করবেন না। কারণ যানটির পূর্ণাঙ্গ ক্রু কেবিন ও জীবনরক্ষা ব্যবস্থা এখনো উন্নয়নাধীন রয়েছে।

মিশন শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের মাধ্যমে যাত্রা শেষ হবে।

নাসার ঘোষিত চার নভোচারীর মধ্যে র‌্যান্ডি ব্রেসনিক মিশনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অভিজ্ঞ এই নভোচারী এর আগে স্পেস শাটল ও রাশিয়ার সয়ুজ মহাকাশযানে উড়েছেন।

আন্দ্রে ডগলাসের জন্য এটি হবে প্রথম মহাকাশযাত্রা। ফ্রাঙ্ক রুবিও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে টানা ৩৭০ দিনের বেশি সময় অবস্থান করে মার্কিন নভোচারীদের মধ্যে দীর্ঘতম একক মহাকাশযাত্রার রেকর্ড গড়েছেন।

অন্যদিকে লুকা পারমিতানো দুই বার মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রথম ইতালীয় কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশেষভাবে আলোচিত বিষয় হলো, আর্টেমিস-৩ দলের চার সদস্যই পুরুষ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাসার কোনো বড় মিশনে এমন পুরুষ দল খুব কমই দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ব্রেসনিক বলেন, নারী নভোচারীদের বাদ দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মিশনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ক্রু নির্বাচন করা হয়েছে। 

নাসা আশা করছে, আর্টেমিস-৩ মিশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের ভিত্তি তৈরি করবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে মানুষের চাঁদে অবতরণের পথ সুগম করবে।

পড়ুন:জোহানেসবার্গে বস্তিতে ঢুকে নির্বিচারে গুলি, নিহত ১২

দেখুন:‘দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ে

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন