বিজ্ঞাপন

চরফ্যাশনে এক ব্যক্তির কাছে অবরুদ্ধ ভূমিহীন ২০ পরিবার

চরফ্যাশন উপজেলার চরকলমী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ‘আদর্শ গ্রামে’ শহীদ দালাল নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০টি ভূমিহীন পরিবারকে তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা এবং একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও ৪০-৪৫টি পরিবারের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

ভূমিহীন পরিবারগুলোর প্রতিনিধি মোহাম্মদ ফিরোজ জানান, ২০০১ সালে সরকারি আবাসন প্রকল্পের আওতায় ২০টি পরিবার ওই এলাকায় বসবাস শুরু করে। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে সরকার তাদের প্রত্যেককে ৮ শতাংশ করে মোট ১৬০ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়। তবে নামজারি সম্পন্ন না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, জমির বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সহায়তার আশ্বাস দিয়ে শহীদ দালাল বিভিন্ন সময় তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি বিভিন্নভাবে প্রচার করছেন যে ভূমিহীন পরিবারগুলো ওই জমির প্রকৃত মালিক নয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের দখলীয় জমি থেকে তাদের উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এমনকি কোনো পরিবারে মৃত্যু হলে তার অনুসারীরা কবরস্থ করার ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করে বলে দাবি করেন ফিরোজ।

আবাসনের বাসিন্দা ইয়ানুর বেগম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করছি। শহীদ দালালের বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত ও হয়রানির কারণে আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। এ অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।”

চরকলমী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ দালাল অভিযোগ করেন, শহীদ দালাল দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা ও নানা ধরনের হয়রানি করে আসছেন। এতে একপর্যায়ে তাকে এলাকা ছেড়ে যেতে হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, পারিবারিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও শহীদ দালাল তার স্ত্রীকে বিয়ে করে এবং তার কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

এব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুস শহীদ দালাল বলেন, “ আমার বিরুদ্ধে ভূমিহীন পরিবারগুলোর জমি দখল বা উচ্ছেদের অভিযোগ সঠিক নয়। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। নিজের বিরুদ্ধে অন্যের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, মফিজ দালাল তার বউকে তালাক দেওয়ার পরে আমি বিয়ে করেছি। আমি তার বউ থাকা কালীন বিয়ে করিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : অপারেশন মাঝপথে রেখে পালালেন ডাক্তার; ক্লিনিক মালিকের লাখ টাকা জরিমানা ও বন্ধ ঘোষণা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন