বিজ্ঞাপন

কাশিমপুরে ৫০ টাকা ভিজিটে চিকিৎসার নামে প্রতারণা, ভুয়া ডাক্তার ইকবাল কবিরের মুখোশ উন্মোচন

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) নিবন্ধন ছাড়াই চিকিৎসক পরিচয়ে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে বি এম ইকবাল কবির নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি ফার্মেসিতে বসে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা, ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) প্রদান এবং ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে আসছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে দেখা যায়, কাশিমপুর থানার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় মাদ্রাসা গেট এলাকায় অবস্থিত ‘ইকবাল মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসিতে নিয়মিত রোগী দেখছেন ইকবাল কবির। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষ তার কাছে চিকিৎসা নিতে আসছেন। রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট ফি ৫০ টাকা গ্রহণ করে তিনি তাদের শারীরিক সমস্যার কথা শুনে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিচ্ছেন এবং ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর ধরে প্রকাশ্যেই এ কার্যক্রম চললেও কার্যকর কোনো নজরদারি বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেক রোগী তাকে নিবন্ধিত চিকিৎসক মনে করে চিকিৎসা নিয়েছেন বলেও জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বি এম ইকবাল কবির বলেন, “আমি ডাক্তার নই। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রোগী দেখি। বিভিন্ন চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সবকিছু শুধু লেখাপড়ার মাধ্যমে হয় না,অভিজ্ঞতার মাধ্যমেও হয়।”
তবে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বৈধতা, স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি, বিএমডিসি নিবন্ধন কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের কোনো কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তি নিজেই যখন চিকিৎসক নন বলে স্বীকার করেন, তখন তার মাধ্যমে রোগী দেখা ও প্রেসক্রিপশন দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পড়ুন- বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন