বিজ্ঞাপন

বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় লাইনের লিকেজ থেকে জমা হওয়া গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ পরিবারের আরও দুই সদস্য মারা গেছেন। এ নিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ আজ সোমবার (১৫ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাবা আব্দুল মান্নান (৫০) এবং ছেলে সিয়াম (১৯)। এর আগে গত শুক্রবার মারা যান মা সুলতানা বেগম (৩৫)।

​ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্র ও স্থানীয়দের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​হাসপাতালের চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ৯০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ঘটনার পরদিনই অর্থাৎ শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মারা যান মা সুলতানা বেগম। এরপর আজ সোমবার ভোরে হাসপাতালের আইসিইউ’র ১৫ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ও শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়া বাবা আব্দুল মান্নান। এর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আইসিইউ’র ৩ নম্বর বেডে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৭৭ শতাংশ দগ্ধ হওয়া সন্তান সিয়াম।

​বর্তমানে এই ঘটনায় ৪১ শতাংশ দগ্ধ মিম (১৩) আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছে। আর ৮ শতাংশ দগ্ধ প্রতিবেশী শিশু হযরত আলী (৮) হাসপাতালের অবজারভেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

​গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চানপুর এলাকার একটি একতলা বাড়িতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাঁচপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম ওই সময় জানিয়েছিলেন, বাড়িটিতে তিতাসের গ্যাস লাইনের পাশাপাশি সিলিন্ডারের সংযোগও ছিল। রান্নাঘরে রাতে জমে থাকা গ্যাসে সকালে রান্নার জন্য আগুন জ্বালাতেই বিকট শব্দে এই বিস্ফোরণ ঘটে। তদন্তের পর লিকেজের মূল উৎস সুনির্দিষ্টভাবে জানা যাবে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গাজীপুর জেলা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে: জেলা প্রশাসক

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন