ভারতের জয়পুরে সোমবার (১৫ জুন) এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সমর্থকরা কাঁধে চাপিয়েছিলেন তাকে। অভিযোগ, সেসময় ভিড়ের মধ্য থেকে কয়েকজন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-কে চড় মারেন। এ ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। দীপকে জানান, এই হামলা আসলে ‘ভয়ের প্রকাশ’।
নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে সোমবার জয়পুরের শহিদ স্মারকে কর্মসূচি ছিল সিজেপি’র। জড়ো হয়েছিলেন শত শত সমর্থক। তাদের দাবি ছিল, নিট কেলেঙ্কারিতে দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে। জয়পুরের সেই কর্মসূচিতে ভাষণ দিতে যাচ্ছিলেন দীপকে।
তার আগে প্রতিষ্ঠাতাকে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন সিজেপি’র সমর্থকরা। অভিযোগ, সে সময়ই ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন তাকে চড় মারেন।
অভিযুক্তদের ধরে ফেলেন সিজেপি সমর্থকরা। তাদের পাল্টা মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। সে সময় পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। দু’জনকে আটক করা হয়।
পরে দীপকে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘শারীরিক আক্রমণ ভয় এবং ভিরুতার প্রকাশ।’ তার পরেই তিনি লেখেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সোচ্চার হব। আমি গান্ধী এবং অম্বেডকরের অনুগামী। শান্তি এবং ভালোবাসার মাধম্যেই এই লড়াই চালিয়ে যাব। পুনশ্চ, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতেই হবে।’
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের যুব সম্প্রদায়ের একাংশকে ‘আরশোলা’ এবং ‘পরজীবী’ বলে উল্লেখ করার পরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। প্রধান বিচারপতির মতে, ওই তরুণ-তরুণীরা অন্য কোনো পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্যের অধিকারকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন ও সকলকে আক্রমণ করেন।
প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর গত ১৬ মে সিজেপি আত্মপ্রকাশ করে। ‘অনলাইন স্যাটায়ার মুভমেন্ট’ (ব্যাঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন) হিসেবে পথ চলা শুরু করার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই নেটমাধ্যমে প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন করে সিজেপি।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

