বিজ্ঞাপন

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

গোপালগঞ্জ সদরে ৩৩ নং উত্তর খাগাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বলছেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে গঠনতন্ত্র ও তফসিলের অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে ৩৩ নং উত্তর খাগাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তফসিল ঘোষণা করা হয়। এই বিদ্যালয়টি ছাড়াও উপজেলা সদরের উলপুর ক্লাস্টারের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচনের কথা রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, ৩৩ নং উত্তর খাগাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নির্বাচনে পক্ষপাতমূলক আচরণ ও নির্বাচনে অনিয়ম করছেন। শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক ঘোষিত তফসিলে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় পার হওয়ার পরেও নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম জমা নিয়েছেন। যা নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া রসুল মিনা নামে এক প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম জমা ও সংগ্রহে শেষ সময় ছিল গত ১৪ জুন অফিস চলাকালীন সময়ে। আমরা ওই দিন বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত স্কুলে বসা। তখন পর্যন্ত ১০ জন প্রার্থী ছিলেন। পরদিন জানতে পারি রাতে সহকারী শিক্ষকের কাছে আরও একজন প্রার্থী বিদ্যোৎসাহী পদে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। যা নিয়মের মধ্যে পড়ে না। এনিয়ে আমাদের বাকি প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিব।

এনিয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে বিদ্যোৎসাহী পদে একজন প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের পরে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এটা নিয়মে আছে। তাই আমরা জমা নিয়েছি। এটা নিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা অবগত আছেন।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, আমরা নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু করছি না। এটা নিয়মে আছে যে বিদ্যোৎসাহী পদে প্রার্থীরা যেকোনো সময়ে তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। এই নিয়ম কাগজে কলমে না থাকলেও আমার উর্ধতন কর্মকর্তারা আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পড়ুন- মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্স-হ্যাটট্রিকে জয়, উড়ন্ত সূচনা আর্জেন্টিনার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন