বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন, উত্তরাঞ্চলে যোগাযোগ বিপ্লবের প্রত্যাশা

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নৌঘাট থেকে গাইবান্ধার বালসী ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনের এই জনদাবি বাস্তবায়নে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বুধবার দুপুরে বাহাদুরাবাদ নৌ টার্মিনালের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সমাজসেবক হযরত আলী, মাহবুব রহমান, ফজলুল হক, নয়া মিয়া ও সামছুল হুদা রতনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাহাদুরাবাদ-বালসী নৌপথ উত্তরাঞ্চলের লাখো মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অথচ বছরের পর বছর ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। ফলে প্রতিদিন নদী পারাপারে যাত্রীদের সময়, অর্থ ও দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লাভলু বলেন, বাহাদুরাবাদ-বালসী ঘাটে একটি সেতু নির্মিত হলে জামালপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক অর্থনীতিও নতুন গতি পাবে।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাবিব পলিন বলেন, যমুনা নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণের এই ন্যায্য দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এ সময় সাবেক ছাত্রনেতা আক্রাম হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুধীজনরা বক্তব্য দেন। তারা বলেন, প্রস্তাবিত সেতুটি নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা আঞ্চলিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত সেতু নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।

পড়ুন- এক বছরে ৪০ লাখ কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড বিরতণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন