বিজ্ঞাপন

বিনিয়োগকারীদের বাজেট প্রতিক্রিয়া: বন্ধ কোম্পানিতে প্রশাসক বসানোর দাবি

ডিভিডেন্ড না দেয়ার কারণে কোম্পানিগুলোকে পাঠানো হয় জেড ক্যাটাগরিতে। এতে কোম্পানির পরিচালকদের ব্যর্থতার দায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন বিনিয়োগকারীরা। তাই উৎপাদন বন্ধের কোম্পানিগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের দাবি বিনিয়োগকারীদের। বুধবার পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারীদের বাজেট প্রতিক্রিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী জাতীয় ঐক্য ফাউন্ডেশনের (ক্যাপমিনাফ) পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে গৃহীত নীতিমালাগুলোকে স্বাগত জানাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদী মূলধন সংগ্রহের কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার যে সুস্পষ্ট নীতিগত ঘোষণা দেয়া হয়েছে তা খুবই সন্তোষজনক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইতিমধ্যে টি+২ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা থেকে ধাপে ধাপে টি+১ এবং পরবর্তীতে সময়ের জন্য টি+০ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আইপিও কার্যক্রম অনুমোদনের সিদ্ধান্ত ও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মুনাফার অন্তত: ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণে উৎসাহিত করতে নতুন কর ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়েছেন সরকার। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে লেনদেন নিষ্পত্তি আরও দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাজার অবকাঠামো গড়ে উঠবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীরা বলেন, দৈনিক লেনদেন ১২০০ কোটি টাকা থেকে ১৫০০ কোটি টাকায় উঠা-নামা করছে। এতে বাজারের প্রতি নতুন করে আস্থা তৈরি হচ্ছে ও বাজেট পাশের পর দৈনিক লেনদেন ৫ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং নতুন করে প্রায় ৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নো-ডিভিডেন্ড দেয়া কোম্পানিগুলো- যেগুলো পর পর তিন বছর ডিভিডেন্ড দিতে ব্যর্থ হয়েছে ও উৎপাদন বন্ধ সেগুলোকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে শাস্তিমূলক না পাঠিয়ে বিএসইসি কর্তৃক প্রশাসক বসানো হোক। এতে বিনিয়োগকারী ও কোম্পানি উভয়েরই উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সভাপতি রুহুল আমিন আকন্দ, মো. আছাহাব মিয়া, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. জাকির হোসেন চৌধুরী, মো. জাহিদুল ইসলাম লিটু, মো. মহিনউদ্দিন মিন্টু, মো. রেজাউল করিম, সালেহা খাতুন, মইনুল হোসেন, এনামুল হক, সিদ্দিকর রহমান এবং আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

পড়ুন : মুহুরি-কহুয়া নদী পুনর্বাসনে ৫ প্রকল্প অনুমোদন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন