বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে জগদল উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস বাদ দিয়ে মানববন্ধন করার অভিযোগ

পঞ্চগড়ের জগদল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে মানববন্ধন করানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কের জগদল বাজার এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মানববন্ধনে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে আনা হয়। এ সময় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে শিক্ষার্থীদের অবস্থান করানোয় তাদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। তাঁর অনুমতি নিয়েই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।”

তবে প্রধান শিক্ষকের এ বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

পঞ্চগড় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুল কবির মো. কামরুল হাসান বলেন, “মানববন্ধন আয়োজনের বিষয়ে আমার কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। যদি নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন করিয়ে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করানো হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা সুলতানা বলেন, “এ ধরনের কোনো কর্মসূচির জন্য প্রধান শিক্ষক আমার কাছ থেকে লিখিত বা মৌখিক কোনো অনুমতি নেননি। বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে অবগতও ছিলাম না। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত করে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের মতো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করানো কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পড়ুন:চুক্তির প্রভাবে বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

দেখুন:সুন্দরবনের শেলা নদীতে কুমিরের আ/ক্র/ম/ণে নারীর মৃ/ত্যু 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন