বিজ্ঞাপন

যমুনায় নদী ভাঙ্গণে ৩০ মিটার বাঁধ নদীতে বিলীন

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামে নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার দুপুরে ৩০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে বাঁধ ভাঙা আতঙ্ক বিরাজ করছে। হুমকির মুখে পড়েছে ফসলিজমি ও বসতভিটা। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছে। এছাড়া জেলার চৌহালী উপজেলায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে নদীর তীরবর্তি নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি ধিরে ধিরে প্রবেশ করছে।

রবিবার (২১ জুন) সকালে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ৮ জুন থেকে যমুনা নদীতে পানি বাড়া শুরু হয়। কখনও কমছে আবার কখনও বাড়ছে। এখন বর্ষা মৌসুম। পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় মাত্র ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদ সিমার ২৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সদর উপজেলারর বাহুকা গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, দুপুরে আমি বাঁধের ওপরে জমিতে কাজ করছিলাম। এসময় হঠাৎ করে নদীর ডান তীরের ব্লক ধসে পড়তে শুরু করে এবং বিশাল এলাকা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে খবর দেওয়া হয়।

স্থানীয় হেলাল উদ্দিন বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে জমিজমা যা আছে নদীর পেটে চলে যাবে। আমি নিঃস্ব। বাড়িঘর যা কিছু ছিল সব নদীতে গেছে। কোনমতে বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছি। আবার ভাঙলে যাব কোথায়।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলা শুরু করা হয়েছে। এতে আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। আমরা কাজ করছি। বর্তমানে ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

পড়ুন- তিন মাসে ৬৭৭ শিশুর মৃত্যু: হামের ভয়াবহ বিস্তারের নেপথ্যে কী?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন