বিজ্ঞাপন

প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ হত্যার বিচার চেয়ে রাজপথে সালমান ভক্তরা

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার সব আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে ফের মানববন্ধন করেছেন তার ভক্তরা। এবার তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সালমান শাহর ভক্তরা অংশ নেন। কেন্দ্রীয় এ আন্দোলনে যশোরের পক্ষ থেকেও ভক্তরা অংশগ্রহণ করেন। তারা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানববন্ধনে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে যশোরের সালমান ভক্ত ও সাংবাদিক শিমুল ভূঁইয়া বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, সারাদেশের প্রতিটি জেলা, প্রতিটি উপজেলা এবং প্রতিটি গ্রামে সালমান শাহর অসংখ্য ভক্ত রয়েছে। যুগের পর যুগ ধরে এ আন্দোলন চললেও আসামিদের গ্রেফতার না করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিচার প্রার্থনা করছি।

তিনি আরও বলেন, মিথ্যার আড়ালে সত্য কখনো ধামাচাপা থাকে না। সালমান শাহ বেঁচে থাকতেই তার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেখিয়ে গেছেন—‘সত্যের মৃত্যু নেই’। সত্য একদিন উন্মোচিত হবেই।” প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচিতে সালমান ভক্ত এ. কে. এম. মোহাম্মদ আহমেদ, সংগঠক মামুনুল ইসলামসহ অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী অংশগ্রহণ করেন।

তারা বলেন, জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় এখনো কাঙ্ক্ষিত বিচার নিশ্চিত হয়নি। এতে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করে দ্রুত মামলাটির সুষ্ঠু নিষ্পত্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মৌলভীবাজারে জাতীয় চা দিবসে পুরস্কার পেল ৮ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন