দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচিত গোলাপি আভার বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির ষাঁড় মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে গবেষণার জন্য সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এ আনা হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় গতকাল জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএলআরআইয়ের কাছে মহিষটি হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মহিষটি সেখানে ১৪ দিনের প্রাথমিক কোয়ারান্টাইনে রয়েছে।
ইতোমধ্যে মহিষটির দেখভালের জন্য বিএলআরআই কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটির মহিষ উৎপাদন গবেষণা বিভাগের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেবকে প্রধান করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। মহিষটি এখন থেকে বিএলআরআইয়েই থাকবে।
ড. গৌতম কুমার দেব বলেন, “ষাঁড় মহিষটি আমাদের কাছে গবেষণার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এই প্রজাতির মহিষ আকর্ষণীয় হওয়ায় মূলত এর জাত উন্নয়নে গবেষণা করা হবে। বর্তমানে মহিষটিকে প্রাথমিক কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। মহিষটির কাছে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। মহিষটি সুস্থ রয়েছে। এখন থেকে এটি আমাদের এখানেই থাকবে।”
উল্লেখ্য দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচিত গোলাপি আভার বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির এই ষাঁড় মহিষটি লালন-পালন করেন নারায়ণগঞ্জ শহরের রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা।
ঈদের কয়েক দিন আগে রাজধানীর পুরান ঢাকার জিন্দাবাহার (জিঞ্জিরা) এলাকার বাসিন্দা মনিরুজ্জামান ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকায় মহিষটি কিনে নেন। পরে খামার মালিক রাজকীয় বিদায়ের মধ্য দিয়ে ক্রেতার কাছে মহিষটি হস্তান্তর করেন। ক্রেতা মহিষটিকে তাঁর বাড়িতেও নিয়ে যান।
মহিষটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এতটাই ভাইরাল হয়েছিল যে শেষ মুহূর্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশে ঈদের আগের দিন মনিরুজ্জামান মহিষটিকে কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করেন। পরে সেদিন রাতেই সেখান থেকে মহিষটিকে মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় নেওয়া হয়। এরপর থেকে মহিষটি সেখানেই ছিল।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

