ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দেশে অনেক ইস্যু থাকবে, তবে সবই সমাধানযোগ্য। আমি কোনো কূটনৈতিক ব্যক্তি নই। উনার (তারেক রহমান) সঙ্গে দেখা করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। দেখা হয়ে মনে হয়নি যে উনার সঙ্গে আমি প্রথম দেখা করেছি। আমাদের মধ্যে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে।’
ত্রিবেদী বলেন, ‘উনাকে আগেই ভারতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজ আবারও সেটা মনে করিয়ে দিয়েছি। আমরা আশাবাদী, দুজন নেতা একসঙ্গে বসলে, আলোচনা হলে অনেক সমাধান বেরিয়ে আসবে।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে ইস্যু থাকবে, ইস্যু না থাকলে সেটা গণতন্ত্র নয়। বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, আমাদের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু থাকবে একটাই—ভালো সম্পর্ক। সেটাই হবে উইন-উইন সিচুয়েশন। ইতিহাস ও প্রতিবেশীর সম্পর্ক তো আর বদলানো যাবে না। আমার মনে হচ্ছে, আগামী দিন ভালোই হবে। সমস্যাগুলো দুই দিক থেকেই খুঁজে বের করতে হবে। আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী।’
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘এমন কোনো সমস্যা নেই, যেটার সমাধান করা যায় না। ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ চায় দুই দেশের ভালো সম্পর্ক। আমার প্রধানমন্ত্রীও আমাকে বলেছেন যে দুই দেশের সুসম্পর্ক রাখা খুবই জরুরি। এ জন্যই তো আমার এখানে আসা।’
সচিবালয়ে সাক্ষাতের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: হাসিনা ও হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যার্পনের অনুরোধ বাংলাদেশের
আর/


