জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগের আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র-নজরুল উৎসবের উদ্বোধন হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক মূল্যবোধ আজও জাতির সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি ইতিহাসের সঠিক উপস্থাপন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চেতনাকে আরও সমৃদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জবি উপাচার্য ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে কেন্দ্র করে যৌথ উৎসব আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় কবি নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন বাঙালির সাম্য, মানবতা ও প্রতিবাদের চেতনাকে ধারণ করে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. তাহমিনা আখতার, ড. মোহাম্মদ আজম এবং ড. সাবিনা শরমীন। সভাপতিত্ব করেন সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়।প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ইফ্ফাত আরা দেওয়ান-কে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বুলবুল ইসলাম, শামা রহমান এবং জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া ‘শ্যামল সুন্দর’ পরিবেশন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ এবং ‘নৃত্যনাট্য চিত্রাঙ্গদা’ পরিবেশন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগ, ধৃতি নর্তনালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অনুষ্ঠিত হবে নজরুল পর্ব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
পড়ুন- ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে ভর্ৎসনা, সিনেটে ৫০-৪৮ ভোটে পাস প্রস্তাব


