বিজ্ঞাপন

৪২ বছর পর নতুন ‘সুপারগার্ল’ আসছে বাংলাদেশে

দীর্ঘ ৪২ বছর পর নতুন রূপে বড় পর্দায় ফিরছে ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় নারী সুপারহিরো সুপারগার্ল। আগামী ২৬ জুন বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘সুপারগার্ল’। একই দিনে বাংলাদেশের দর্শকরাও ছবিটি উপভোগ করতে পারবেন, কারণ এটি মুক্তি পাবে স্টার সিনেপ্লেক্সে।

বিজ্ঞাপন

সুপারগার্ল চরিত্রটি প্রথম বড় পর্দায় আসে ১৯৮৪ সালে। ‘সুপারম্যান’ ফ্র্যাঞ্চাইজির স্পিন-অফ হিসেবে নির্মিত সেই সিনেমাটি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বক্স অফিসে ব্যর্থতার পাশাপাশি সমালোচকদের কাছ থেকেও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল। তবে চার দশকের বেশি সময় পর নতুন প্রজন্মের দর্শকদের জন্য আবারও ফিরছে এই জনপ্রিয় চরিত্র।

নতুন সিনেমায় সুপারগার্ল তথা কারা জোর-এল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রী মিলি এলকক। তিনি এর আগে জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজ ‘হাউজ অব দ্য ড্রাগন’- এ অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ক্রেগ গিলেস্পি।

গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে কারা জোর-এল। সুপারম্যানের মতো পৃথিবীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বড় না হয়ে তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রিপ্টনের ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্যে বেড়ে ওঠেন। ফলে তার ব্যক্তিত্ব অনেক বেশি কঠোর, বাস্তববাদী এবং আবেগঘন। এক পর্যায়ে নিজের বিশ্বস্ত কুকুর ক্রিপ্টোকে নিয়ে মহাকাশ ভ্রমণে বের হয়ে রুথি নামের এক কিশোরীর সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। রুথির পরিবারের হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করতে শুরু হয় এক বিপজ্জনক আন্তঃগ্যালাক্টিক অভিযান।

সিনেমাটির আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় চরিত্র লোবো’র লাইভ-অ্যাকশন অভিষেক। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যাসন মামোয়া।

ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি আগের সুপারগার্ল গল্পগুলোর তুলনায় বেশি পরিণত, আবেগঘন ও অন্ধকারধর্মী। একই সঙ্গে নতুন ডিসি ইউনিভার্স গঠনের ক্ষেত্রে ছবিটিকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিসি স্টুডিওস ভবিষ্যতে সুপারম্যানের পাশাপাশি সুপারগার্লকেও তাদের অন্যতম প্রধান নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আর সেই পরিকল্পনারই বড় পদক্ষেপ এই সিনেমা।

পড়ুন- আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে ‘দ্য ওয়্যার’ অভিনেতা ববি জে. ব্রাউনের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন